সোহাগ পল্লী পার্ক ও রিসোর্ট – গাজীপুর

সোহাগ পল্লী বাংলাদেশের সেরা পিকনিক স্পট এবং রিসোর্ট গুলোর মধ্যে একটি। সম্পুর্ন  দূষন ও কোলাহল মুক্ত পরিবেশে গাজীপুরের চন্দ্রা মোড় থেকে ৪ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে কালামপুর গ্রামে প্রায় ১০ একর জায়গার উপর প্রতিষ্ঠিত এই সোহাগ পল্লীতে বিভিন্ন প্রজাতির দেশী ফুল ফল ও সবুজের সমারহে তৈরী করেছে এক মনোরম পরিবেশ।  সোহাগ পল্লী পার্ক ও রিসোর্ট (Shohag Palli Park and Resort) এর আধুনিক সুযোগ সুবিধা এবং প্রাকৃতিক পরিবেশের সঙ্গে জলাশয়ের উপর নির্মিত অপরূপ সৌন্দর্যমণ্ডিত ঝুলন্ত সাঁকো সকলের নজর কাড়ে ।  পিলার ও বেলকনিতে খোঁদাই করা বিভিন্ন কারুকাজ গুলোও যেন শৈল্পিক ছোয়ার বহিঃপ্রকাশ। জলাশয়ের পূর্বপাশে রয়েছে একটি দ্বিতল রেস্টুরেন্ট। রেস্টুরেন্টটির নাম রাখা হয়েছে মেজবান। এখানে কৃত্রিমভাবে একটি লেক নির্মাণ করা হয়েছে। যাতে সব সময়ই পানি থাকে আর তাতে ভেসে বেড়ায় বিভিন্ন  জাতের মাছ।

এ রিসোর্টে রয়েছে উন্নতমানের কয়েকটি কটেজ। কটেজগুলোর ঠিক সামনে দিয়ে বয়ে গেছে লেক। রয়েছে একটি সুইমিং পুল আর কনফারেন্সের জন্য একটি হলরুম। ৪০ জন কর্মকর্তা-কর্মচারী রয়েছে সার্বক্ষণিক সেবা দেওয়ার জন্য। এছাড়া রয়েছে উঁচু পাহাড়। যার নিচে এক পাশে রাক্ষসের হাঁ করা মুখ, উপরে সুন্দরী ললনার কোলে জলভর্তি কলসি এবং পাহাড়ের সামনে দু’দিকে দু’টি করে জিরাফ ও হরিণের প্রতিকৃতিসহ আরো অনেক প্রতিকৃতি রয়েছে।

সোহাগ পল্লীর আবাসন ব্যবস্থা –  সোহাগ পল্লীতে চম্পা, লোটাস, রোজ, মালতি, পপি ও শাপলা নামে  এসি ও নন এসি বিভিন্ন দামের কটেজ রয়েছে। তাছাড়া সুন্দর ভাবে সাজানো গোছানো ১৭ টি এসি রুম, ২০ নন এসি রুম রয়েছে সকলের সাধ্যের মধ্যে।

১৫০ জন ব্যক্তির ধারন ক্ষমতা সম্পূর্ন মেজবান রেঁস্তোরায় রয়েছে – বাংলা, ভারতীয়, থাই ও চীন খাবার সহ সব ধরনের খাবার। তছাড়া সকালের, বিকালের নাস্তা চা সহ বিভিন্ন খাবার মেনু তো আছেই। চাইলে আপনি জন্মদিনের পার্টি, বিবাহ, এবং কোনো পার্টির সঙ্গে গায়ে হলুদ অনুষ্ঠানের ব্যবস্থা এখানে করতে পারেন। সঙ্গ তো লাইভ মিউজিকের ব্যবস্থা আছেই।

প্রবেশ মূল্যঃ দর্শনার্থীদের জন্য প্রবেশ মূল্য ৫০ টাকা।

যোগাযোগ – বিস্তারিত জানতে ফোন করুন – 01712 049 903-4, 01612 049 903 অথবা ভিজিট করুন http://www.shohagpalli.com/

যেভাবে যাবেন

নিজস্ব পরিবহন বা যাত্রীবাহী বাসে গাজীপুর চৌরাস্তা হয়ে ঢাকা-টাঙ্গাইল মহাসড়কের চন্দ্রা মোড়ে নামতে হবে। পরে চন্দ্রা মোড় থেকে ৪ কিলোমিটার উত্তর-পূর্ব দিকে কালামপুর গ্রামে গেলেই পেয়ে যাবেন সোহাগ পল্লী।

ছবিতে সোহাগ পল্লী

ছবিতে সোহাগ পল্লী দেখতে এখানে ক্লিক করুন।

তথ্য সংগ্রহ ও উপস্থাপনায়: আবদুর রহমান,
সর্বশেষ আপডেট হয়েছে: এপ্রিল 3, 2018

সোহাগ পল্লী পার্ক ও রিসোর্ট – গাজীপুর, সম্পর্কে পর্যটকদের রিভিউ।

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.