রিভারভিউ ইকোপার্ক – পিরোজপুর

ডি. সি. পার্ক পিরোজপুর জেলার একটি ঐতিহ্যবাহি পার্ক ।এই পার্ক বলেশ্বর নদীর তীরে অবস্থিত। এখানে অবস্থিত একটি ওয়াচ টাওয়ার থেকে বলেশ্বর নদীর প্রাকৃতিক এবং মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়। এই পার্কটি পিরোজপুর রিভারভিউ ইকোপার্ক(Riverview Echopark) নামেও পরিচিত। সাবেক জেলা প্রশাসক জনাব মোঃ মনছুর রাজা চৌধুরী সাহেব ২০০৭ সালে প্রথম পিরোজপুর জেলা শহরের নামাজপুর গ্রামে বলেশ্বর নদীর পাড়ে একটি পার্ক স্থাপনের উদ্যোগ গ্রহণ করেন। তিনি মেইন উক্ত জায়গায় বালি ভরাট করেন। অর্থাভাবে সে সময় আর কাজ না হলেও তখন থেকেই জায়গাটি ডিসি পার্ক বলে পরিচিতি পায়।

২০১৪ সালের আগস্ট মাস হতে পার্কটির সার্বিক দায়িতব ডিসি অফিস, পিরোজপুরের উপর অর্পিত হয়। এরপর হতে এই জেলার সম্মানিত জেলা প্রশাসক জনাব এ.কে.এম শামিমুল হক ছিদ্দিকী মহোদয়েরদিক নির্দেশনা ও বিবিধ উদ্যোগের ফলে পার্কটিকে পর্যায়ক্রমে আরও আকর্ষনীয় করার প্রক্রিয়া অব্যাহত আছে।

বলেশ্বর নদীর কোলে অবস্থিত এই পার্কটির অন্যতম আকর্ষনীয় দিক হচ্ছে নদী ঘেষে বাধানো রাস্তাএবং পাঁচতলা উচ্চতা বিশিষ্ট একটি ওয়াচ টাওয়ার। পার্কটির পাশের নদীসহ বিসতীর্ণ এলাকার মনোমুগ্ধকর দৃশ্য এই ওয়াচ টাওয়ারটি হতে দেখা যায়।

এছাড়াও পার্কটিতে একটি কফি হাউজ, ফোয়ারা এবং একটি লেক রয়েছে। লেকের উপর দুটি কাঠের ব্রীজ এবং নীচে রয়েছে পেডেল বোটের ব্যবস্থা। পুরো পার্ক জুড়ে তৈরী করা মৌসুমী ফুলের বাগান, বসার বেঞ্চ, গোল ছাতা, দোলনা ও কিছু টপিয়ারী রয়েছে যাতে পার্কটির নান্দনিকতা আরও বৃদ্ধি পেয়েছে।

যোগাযোগ :
দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তার নাম –
জনাব মো: সায়েদুল আরেফিন
পদবী – নেজারত ডেপুটি কালেক্টর, পিরোজপুর।
ফোন – ০৪৬১-৬২৩১৯, মোবাইল – ০১৭৩০০৩৬৬৫১৫

কটেজ ১ :

  • বেড রুম : ২ টা
  • ড্রয়িং রুম : ১ টা
  • রান্না ঘর : ১ টা

কটেজ ২ :

  • বেড রুম : ২ টা
  • ড্রয়িং রুম : ১ টা
  • ডাইনিং রুম : ১ টা
  • রান্না ঘর : ১ টা

অবস্থান পিরোজপুর জেলা সদর থেকে ২.৫ কিলোমিটার দূরে নামাজপুর গ্রামে অবস্থিত পার্কটি।

যে ভাবে যাবেনঃ

ঢাকা হতে সড়ক ও নৌ উভয় পথেই পিরোজপুর যাওয়া যায়। ঢাকার গাবতলী ও সায়েদাবাদ থেকে বিভিন্ন পরিবহন সকাল এবং রাতে উভয় সময় ছেড়ে যায়। সাকুরা পরিবহন(০২-৮০২১১৮৪) গাবতলী থেকে সকাল সোয়া ন টায়, এবং রাত পৌনে ১০টায় ছেড়ে যায়। গাবতলী বাস স্টাণ্ড থেকে ঈগল পরিবহন(০১৭১২৫৪৩৯০৭) এর দুটিও বাসও প্রতিদিন সকাল এবং রাতে পিরোজপুরে যায়। অন্যদিকে রাজধানীর সায়েদাবাদ বাসস্টাণ্ড থেকে দোলা পরিবহন(০১৭৩৯৬১২২৯৯), বনফুল পরিবহন, হামিম পরিবহনসহ বেশ কয়েকটি পরিবহন ঢাকা পিরোজপুর রুটে চলাচল করে। আপনি চাইলে নদী পথেও পিরোজপুর যেতে পারেন। ঢাকার সদরঘাট নদীবন্দর থেকে পতিদিন রাজদুত/পারাবাত(লঞ্চ) সদর ঘাট সন্ধ্যা ৭টা, স্টীমার অস্ট্রি্চ সদর ঘাট রাত ৯টা পিরোজপুরের উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়।

কোথায় থাকবেন:

পিরোজপুরে রাত্রি যাপন ব্যবস্থা খুব ভাল না। তবে এখানে মোটামুটি মানের কিছু আবাসিক হোটেল আছে। পিরোজপুর সদরে হোটেল রজনী(০১৭১২৫৬২২৪১), হোটেল রিল্যাক্স(০৪৬১-৬২৮০৭), হোটেল ডালাস(০৪৬১-৬২৮৫৫), হোটেল অবকাশ(০৪৬১-৬২৩৩৩), হোটেল সিনথিয়া(০৪৬১-৬৩২৬২), হোটেল আল গালিভ (মিয়ারহাট বন্দর, নেছারাবাদ), হোটেল শাহ নেওয়াজ (ইন্দেরহাট বন্দর), হোটেল আল মদীনা(০১৭১২৫১৯০০৯) ইন্দেরহাট বন্দর, নেছারাবাদ।
এছাড়াও প্রতিটি উপজেলায় গেষ্টহাউজসহ ছোট বড় ও মানসম্মত আবাসিক হোটেল আছে।

তথ্য সংগ্রহ ও উপস্থাপনায়: ভ্রমণ পাগল,
সর্বশেষ আপডেট হয়েছে: ফেব্রুয়ারী 26, 2018

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.