মেরি এন্ডারসন – নারায়ণগঞ্জ

মেরি আন্ডারসন ভাসমান রেস্টুরেন্ট ও বার’ বাংলাদেশ পর্যটন কর্পোরেশনকর্তৃক পরিচালিত একটি ভাসমান রেস্টুরেন্ট। নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলাএলাকায় বুড়িগঙ্গা নদীতেএকটি পুরানো ব্রিটিশ প্রমোদতরীতে এ রেস্টুরেন্টটি অবস্থিত। এ রেস্টুরেন্টের সাথে একটি বাররয়েছে। মাত্র তিন হাজার টাকায় রাত্রিযাপনের জন্য এখানে শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষের সুবিধা রয়েছে। এছাড়া প্রতি ঘন্টা আটশ টাকা হারে এসব কক্ষ ভাড়া নেওয়ার সুযোগ রয়েছে। ইঞ্জিন চালিত নৌকায়মাঝ নদীতে বসে মেরি আন্ডারসনের মজাদার খাবার আস্বাদনের সুযোগ এ রেস্টুরেন্টটির অনন্য আকর্ষণ। ঢাকাশহরের কেন্দ্রস্থল হতে এ ব্যতিক্রমী রেস্টুরেন্টটি মাত্র বিশ কিলোমিটারের মধ্যে অবস্থিত হওয়ায় এটি ইতোমধ্যে একটি আকর্ষণীয় পর্যটন কেন্দ্রে পরিণত হয়েছে।

পর্যটন করপোরেশন সূত্র জানায়, ১৯১৮ সালে এ জাহাজটি তৈরি করা হয়। ব্রিটিশ রানি ভিক্টোরিয়ার উপহার ছিল এ জাহাজ। জাহাজটিতে ভ্রমণ করেছেন রানি ভিক্টোরিয়ার মেয়ে মেরি। তার নাম অনুসারেই এর নামকরণ করা হয়েছে মেরি অ্যান্ডারসন(Mary Anderson)। ১৯৭৮ সালে এটি পর্যটন করপোরেশেনের কাছে হস্তান্তর করা হয়। সে সময় থেকেই এটি পাগলা জেটিতে বুড়িগঙ্গা নদীতে ভাসমান রেস্তোরাঁ হিসেবে ব্যবহৃত হয়ে আসছে। ২০০৪ সাল থেকে বেসরকারি সংস্থার কাছে চুক্তিতে হস্তান্তর করা হয়। ২০০৮ সালে ১৫ বছরের জন্য হক ট্রেডার্সের সঙ্গে চুক্তি করা হয়েছে।

কিভাবে যাবেনঃ

ঢাকা – নারায়নগঞ্জ রোডে পাগলা বাস স্টেন্ড হতে একটু দক্ষিন-পশ্চিমে , বাস, টেক্সি, রিক্সা, কিংবা অটোতে করে খুব সহজেই যাওয়া যায়।উপজেলা সদর থেকে ৩ মাত্র কিলোমিটার দুরে কুতুবপুর পাগলা বুড়িগঙ্গা নদীর উপর অবস্থিত।

তথ্য সংগ্রহ ও উপস্থাপনায়: সাফায়েত,
সর্বশেষ আপডেট হয়েছে: ফেব্রুয়ারী 19, 2018

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.