হরিশ্চন্দ্রের পাঠ – নীলফামারী

জলঢাকা থানার খুটামারা ইউনিয়নের অন্তর্গত পাথর খন্ডে পরিপূর্ণ সুপ্রাচীন ধ্বংসাবশেষ টিলা হরিশচন্দ্রের পাঠ বা রাজবাড়ী(Harishchandra Padh/ Rajbari)। এটি চাড়াল কাটা নদীর দক্ষিণ তীরে প্রায় এক বিঘা জমির উপর উঁচু ঢিবি। ঢিবির উপর পাঁচ খন্ড বড় কাল পাথর জড়ে আছে। পাথরগুলো ঢিবির মাটিতে ডুবে যায় আবার ভেসে উঠে বলে পার্শ্ববর্তী স্থানের অধিবাসীদের বিশ্বাস।হরিশচন্দ্র পাঠ বাংলাদেশের নীলফামারী জেলার জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের একটি গ্রাম। একে সেখানকার রাজা হরিশচন্দ্রের নাম অনুসারে গ্রামটির নামকরণ করা হয়। রাজা হরিশচন্দ্র দানবীর হিসেবে পরিচিত ছিলেন। এ অঞ্চলে তাকে নিয়ে অনেক পালাগান,যাত্রাপালা রচিত হয়েছে। কথিত আছে রাজা হরিশ্চন্দ্রের কন্যা অধুনা’র সাথে রাজা গোপী চন্দ্রের বিয়ে হয়। তৎকালীন প্রথা অনুসারে গোপী চন্দ্র দান হিসেবে তার ছোট শ্যালিকা পদুনাকেও পান। এ নিয়েও অনেক গল্প প্রচলিত আছে।হরিশচন্দ্র পাঠ গ্রামে অনেক প্রাচীন ধ্বংসাবশেষ আজও তার স্মৃতি বহন করছে। হরিশচন্দ্রের শিবমন্দিরে বছরে ৩টি উৎসব এই মন্দিরকে ঘিরে বেশ ধুমধাম করে পালিত হয়।

কিভাবে যাবেনঃ

নীলফামারী শহর থেকে সড়কপথে জলঢাকা উপজেলার খুটামারা ইউনিয়নের হরিশ্চন্দ্র পাঠে যাওয়া যায়।

তথ্য সংগ্রহ ও উপস্থাপনায়: সাফায়েত,
সর্বশেষ আপডেট হয়েছে: ফেব্রুয়ারী 22, 2018

মন্তব্য করুন

আপনার ই-মেইল এ্যাড্রেস প্রকাশিত হবে না। * চিহ্নিত বিষয়গুলো আবশ্যক।

This site uses Akismet to reduce spam. Learn how your comment data is processed.